জীবন-যাপন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জীবন-যাপন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১ আগস্ট, ২০২১

সামাজিকভাবে আমরা প্রত্যেকে একরকম হতে চাই। দেখতে এক, খেতে এক, কাজে এক, পরনে এক, ভাবনায় এক। খুব সম্ভবত, ইংরেজিতে এটাকে মিডিওক্রিটি(averageness)বলে। সবাইকে এক হতেই হবে এমন একটা সীমাবদ্ধতার মধ্যে দিয়ে আমরা বেড়ে উঠছি। একটা প্রজন্মকে ল্যাংড়া বানিয়ে বসিয়ে রাখার জন্য সুশীল সমাজের বস্তুত এই ট্রিকস টাই যথেষ্ট। তবে ভিন্নতা তো থাকেই। সৃষ্টির শুরু থেকেই আছে। কিন্ত সেটার প্রসেসিং টু কন্টিনিউয় করা অনেক চ্যালেঞ্জিং।  শুরু থেকেই ভিন্ন হওয়াটাকে আমরা অস্বাভাবিক চোখে দেখি। 

যেমন সমাজের বিত্তবানরা, গরীব-অসহায়দের সাহায্য করবে এটা খুব সিম্পল ব্যাপার, স্বাভাবিক থিওরি, বাট এই বিষয়টাকে আমরা টেনে অস্বাভাবিক বানিয়ে ফেলি। অবাক দৃষ্টিতে দেখি। ঠিক একইভাবে ভিন্ন হওয়ার বিষয়টি আমরা অস্বাভাবিক চোখে দেখি, স্বাভাবিকভাবে নিতেই পারিনা।  

কিন্তু আমার মনে হয়; সৃষ্টির প্রতিটি সত্তাই আলাদা, ভিন্ন। ভাবনা ভিন্ন, কর্ম ভিন্ন, দেখতে ভিন্ন, এমনকি খোদার নিকট ইবাদতের ধরনটাও ভিন্ন, সব ভিন্ন। ঝামেলাটা শুরু হয় তখন থেকেই যখন সে ভিন্নভাবে নিজেকে প্রস্তুত করে। 
তখন ওই ভিন্ন হওয়া লোকটা সুশীল সমাজের ৮০ শতাংশের চোখে অসামাজিক, ক্ষেত, ম্যানারলেস, আর পাতি ভাষায় বেয়াদব, উগ্র।  স্বাভাবিক ভঙ্গিতে এই চর্চা আমাদের ঘরে ঘরেই চলে। কিন্তু আমরা ভুলে যাই ভিন্ন হয়ে জন্মানোর পিছনে নিশ্চয়ই তাঁর কোনো না কোনো পরিকল্পনা রয়েছে, কারন রয়েছে। ভিন্নটা ভাবাতে হয়তো একটা ফরসা আলো আসতে পারে। আলো ফিরিয়ে আনার সেই সুযোগটা না পেয়ে বহু কামেল  মঞ্চ ত্যাগ করে মুখ লুকিয়ে  বসবাস করছে এমন নজিরও বর্তমানে অহরহ।

পয়লা আষাঢ়



শুরুতে বলি সায়মার একটা অদ্ভুত ক্ষমতা আছে মানুষকে মুগ্ধ করার। সে সবাইকে মুগ্ধ করতে ভালোবাসে।
আমার জানা মতে, কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ এই কাজটি খুব ভালোভাবে করতেন।

আজ ছিলো আষাঢ়ের প্রথম দিন।
সকাল থেকেই দফায় দফায় কখনো হালকা ও মাঝারি ধরনের বৃষ্টি এবং মাঝে মাঝে প্রচণ্ড রোদ। কনফিউশন এই সিচুয়েশনের মধ্যে দিয়েই সাতসকালে ঘর থেকে বেরুলাম। আষাঢ় বলে কথা; ঘরে ফিরতে ফিরতে একদফা বৃষ্টিতে ভিজতেই হলো। এ যাত্রায় বৃষ্টির গুণ কীর্তন বর্ননা করতে পারলাম না।

যাগ্গে, ঘরে আসার পরপর সায়মন সায়মার পায়চারি।
আমাদের দুজনের কথোপকথনের একাংশ;
সায়মন: আপা, চলেন আজকে আপনারে বাতিঘর থেইকা বই গিফট করি। [মুগ্ধ করার প্রথম ব্যর্থ চেষ্টা]
আমি: সায়মা আপু খুব ক্লান্ত। [গম্ভীরস্বরে] আপাতত বিরক্ত করিস না প্লিজ।

কিছুক্ষণ পর আবার;
আপা চলেন না প্লিজ...
আমি বললাম শুন বাতিঘরে বৃহস্পতিবার যাবো। সেদিন বই গিফট দিস। আজ রাখ।

কে শুনে কার কথা। এসপারওসপার সে যাবেই।
আমাকে নানাবিধ লোভনীয় অফার দিতে থাকলো। আমিও শুনতে লাগলাম। কফি খাওয়াবে, বই দিবে, পছন্দের খাতা কিনে দিবে এসব চলতেই থাকলো.....

যাই হোক লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু এটি যেনোও 'বই গিফট পাওয়ার' লোভে পড়ে গেলাম।
আমি যাবো সেই সুবাধে সায়মা খুশি। তাঁর খুশিতে আমিও খুশি।
ওয়েদারটাও উৎসবমুখর। রোদ-বৃষ্টির এলোপাথাড়ি আগমন আমার বেশ ভালো লাগে।

বাতিঘরে পৌঁছালাম। বসে আলাপ করছি। দেশ/বিদেশের সব উঠে আসছে। শঙ্খঘোষের কবিতার বই, হরিদাসের আলাপচারিতা, কিছু পত্র-পত্রিকা ঘাটাঘাটি করতে করতেই টুক করে সায়মন সায়মার একটা আবদার হাজির হলো।

সায়মা: আপা, চলেন দুই বোন মিলে একটা জমপেশ বই লিখি।
আমি: আচ্ছা। দেখি। [যথারীতি গম্ভীরস্বরে]
সায়মা খুব কনফিডেন্স নিয়ে আমাকে বুঝাচ্ছে বাজারে বইটা চলবে, দ্বীনের কাজে আসবে।
আমি হু/হা তেই পড়ে আছি। গা-ছাড়া ভাব আর কি।

কথার ফাঁকফুকুড়ে সায়মা ব্যাগ থেকে কলম আর কাগজ বের করে কি যেন একটা লিখতে লাগলো।
লেখা শেষ করে কাগজটা আমার হাতে দিলো। বলল আপা দেখেন-

কাগজটা হাতে নিলাম। আমি দেখলাম। সায়মা লিখল;

[লেখক: সালমন সালমা ও সায়মন সায়মা।
উৎসর্গ - আমাদের সর্বজয়া আম্মাকে]

কি দারুণ তাঁর অবাক করার চেষ্টা। আমি কাগজটা দেখে মুগ্ধ হলাম। সায়মার চোখেমুখে একটা উল্লাস দেখলাম। ভাবি,মানুষের উদযাপন কত সুন্দর হয়। কত পরিষ্কার হয়। আহা, সায়মন সায়মা তুজসে সেলাম!

সালমন সালমা, বাতিঘর'২১, চট্টগ্রাম।

দিনক্ষণ

বাইরে চারিদিক নিস্তব্ধ, নিঝুম। সব পাখপাখালি তাদের নীড়ে ঘুমাচ্ছে। কোথাও পাতা নড়বার শব্দও নেই। যেন সম্পূর্ণ প্রকৃতি ঘুমে আচ্ছন্ন, খালি জেগে আছে আকাশের বিশাল উজ্জ্বল চাঁদটা আর তার সাথী তারারা।

ভাবছি- কি ভয়ংকর কঠিন অসুখ, কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে দিনাতিপাত করছি আমরা। গত কিছুদিন যাবৎ কোনো কাজেই পরিপূর্ণ মন লাগাতে পারছিনা। বারবার আহত হচ্ছি। পিষে যাচ্ছি। অনেকের দেওয়া কাজ লটকে আছে, নিজের একাডেমীক পড়াশোনারও তেমন ইয়াত্তা নেই। সময়মতো কাজ শেষ করতে না পারার বিষম যন্ত্রনা বারবার তাড়া করছে।

কিন্তু এই কঠিনসময়ে নিজেকে সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছি। খাতা,কলম,বই,উদযাপন,উল্লাস কোনো কিছুর সাথেই যথাযথ সখ্যতা গড়ে উঠছে না। একেবারেই না।

মনে পড়ে গেলো গতবছরের, সেপ্টেম্বর ২০২০-এর দিকে; ল্যানসেটের সম্পাদক ড. রির্চাড হর্টন তার 'কোভিড-১৯ ইজ নট অ্যা প্যানডেমিক' শীর্ষক বিশেষ নিবন্ধে বলেছেন, কোভিড-১৯ বৈশ্বিক অতিমারি বা প্যানডেমিক নয়, বরং এটি সিনডেমিক। কমপক্ষে দুই ধরনের রোগ বা সমস্যা যদি মহামারি (এপিডেমিক) হিসেবে আবির্ভূত হয়ে কোনো বিপুল সংখ্যক মানুষের স্বাস্থ্যের (স্বাস্থ্য বলতে শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক স্বাস্থ্য) ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, তবে তাকে সিনডেমিক বলা যায়।

আদৌতে কোভিড'১৯ ডে ব্যাই ডে সেদিকেই মোড় নিচ্ছে। করোনা আপনার শরীরে প্রবেশ না করলেও আপনার হাড়িতে ঠিকই প্রবেশ করছে। মরছি আমরা সবাই। কেউ ভাইরাসে, কেউবা ধুঁকে।

ভাবুন তো অতিথি হয়ে এসে আমরা পৃথিবীকে নিজেদের ভেবে তার সঙ্গে যে আচরণ করেছি, তার আলো এবং বাতাস আমাদের জন্য যে কত মূল্যবান; সেটা কিন্তু কোভিড-১৯ আমাদের নতুন করে শিক্ষা দিয়েছে। পুরো বিশ্বকে লকডাউনে রেখে ধরণী নিজের চিকিৎসা দিয়ে নিজেকে প্রাণীর বসবাসের উপযোগী করার পদক্ষেপ নিয়েছে। এ পদক্ষেপ আর কতদিন চলে সেটাও আমরা ঠাউর করতে পারছি না।

কোভিড-১৯ যখন শুরু হয় তখন মোটামুটি ধারণা করা হয়েছিল ডিসেম্বর নাগাদ পরিস্থিতি শান্ত হবে, আবার জমবে মেলা, জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হবে, কোলাহল মুখরিত জীবন ফিরে পাবে পৃথিবীর মানুষ। এর মধ্যে করোনার টিকা বের হয়ে যাবে। কিন্তু করোনার টিকা নেয়া শুরু হলেও সমগ্র বিশ্ববাসীর জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হওয়ার গ্যারান্টি কারও কাছে নেই। বরং নতুনরূপে আবির্ভূত হচ্ছে এই ভাইরাস।

গতপরশু একটা সংবাদ পড়লাম, 'লকডাউনে কাজ বন্ধ, সন্তানদের খাবার দিতে না পারায় বাবার আত্মহত্যা'
চোখমুখ ঝাপসা হয়ে আসলো, খানিক চুপ ছিলাম। এমতাবস্থায় ট্রাস্ট মী কলম চলে না, এমতাবস্থায় মস্তিষ্ক পুরোদস্তর থেমে যায়। প্রিয়জন হওয়ার জন্য রক্তের সম্পর্ক জরুরি হয় না। এমন পরিস্থিতিতে উপলব্ধি হয় পৃথিবীটা সত্যিই অর্থহীন। এই যশ-খ্যাতি, অর্থ, ক্ষমতা- সবই অর্থহীন। সবাই আমরা অতিথি হিসেবে এসেছি এবং যিনি পাঠিয়েছেন তাঁর কাছেই ফেরত যেতে হবে। আমাদের জন্মই হয়েছে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার জন্য।

এইতো সেদিনের কথা, একজন ফুটফুটে এক ফুলের(২/৩ বছরের মেয়েশিশু) ছবি দিয়ে লিখলো 'ওপারে ভালো থেকো মা'। বিশ্বাস করেন আমি ফেসবুক স্ক্রলিং করার শক্তি পাচ্ছিলাম না, আঙ্গুলগুলো হাপিয়ে যাচ্ছিলো।

এমন পোষ্ট দিনরাত আমাদের চোখের সামনে ভাসছে। আমি ভাঙ্গছি। আমরা ভাঙ্গছি। ক্রমাগত ভাঙ্গছি।
করোনা শরীর, মন, মাথা, পকেট, রোজগার সবকিছুতেই ভর করছে। অভাব অনটনে দিশেহারারা আত্মহত্যা করছে, এ মরন ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর চেয়ে কম কিসের?

সন্ধ্যায় ডাক্তার রাকিবুল আমিন বিজয় ভাই জানালেন, এক পরিবার বিয়ের দাওয়াত খেতে গিয়ে গোটা পরিবারই এখন করোনায় আক্রান্ত, ট্রিটমেন্টে। পরিবারের তরতাজা ছোট ভাইটা মারা গেলো, মা'কে আইসিউতে রাখা হয়েছে। সত্যিই আমরা উন্মাদ। আমরা ভোজনরসিক। কি দারুণভাবে ডাক্তারখানাকে আমরা মৃত্যুপুরি বানাচ্ছি!

খেয়াল করেন, আক্রান্তর সংখ্যা বাড়ছে। মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। আমরা যত বেশি অসচেতন হবো, মাথায় রাখতে হবে আমাদের চাকরি বন্ধের মেয়াদ তত বেশি বাড়বে। ঘরে বেতন ঢুকবে না, খাদ্যে জোগানে হিমশিম খাবো। বাড়িওয়ালা ভাড়ার জন্য তাগাদা দিবে, আশ্রয়হীন হবো.......
এতে করে আমাদের সুবিধে হবে না নিশ্চয়ই?
তাই কষ্ট করে একটু সচেতন থাকেন। আতংকিত হয়ে আত্মহত্যা করার দরকার নাই, এটাতো ফাইনাল সমাধান না। যদি তিনবেলা খাবার না জুটে তাহলে একটা ট্রিকস ফলো করেন; কিছু একটা খেয়ে সেহেরি করেন, সারাদিন রোজা রাখেন। ইবাদত হবে, খাবার জোগানের পেরেশানিটাও কমবে। (পরিবারের বাচ্চাদের জন্য এই ট্রিকস না)। বিশ্বাস করুন আল্লাহ তা’আলা সৃষ্টি জগতের সকল কিছুকে রিযিক প্রদান করছেন। তিনিই উত্তম রিযিকদাতা। দ্যাটস এনাফ।
‘আল্লাহুম্মা রাব্বানা আনযিল আলাইনা মায়িদাতাম মিনাস সামায়ি তাকুনু লানা ঈদাল্লি আওওয়ালিনা ওয়া আখিরিনা ওয়া আয়াতাম মিনকা ওয়ারযুকনা ওয়া আনতা খায়রুর রাযিকিন।’ [আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সবাইকে এ দোয়াটি বেশি বেশি পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন]

মনে রাখতে হবে কঠিন এই সময়টা সবার জন্য এক। সবার জন্য কঠিন। ধনী-গরীব নির্বিশেষে সবার জন্য। কাউকে দোষ দেওয়ার সময় এটা না। ভাববেন না সরকার, ওই মন্ত্রী, সেই মন্ত্রী বা অমুককে, তমুককে দু'চারটা গালি দিলে করোনা আপনাকে এ্যাটাক করবে না ; তা কিন্তু নয়। তারচে বরং যতটুকু সামর্থ্য আছে তা দিয়ে যেখানে সাহায্য করা দরকার, করুন। দল-মত নির্বিশেষে করুন। তবে জনসমাগম নয়, ফটোসেশন নয়, এতে দুঃখ বাড়বে আরো। আপনার সাহায্য সুখ বয়ে আনুক,ক্ষতি না এটাই আমাদের কাম্য।

দুস্তর এইসময়ে বেশি বেশি দুরুদ পড়ুন। ইস্তেগফার পাঠ করুন। আল্লাহতালার দরবারে তওবা করুন। ক্ষমা চান। পরিত্রাণের জন্য দরখাস্ত করুন।
জানুন, এটা পরীক্ষা। আল্লাহর তরফ থেকে দেয়া পরীক্ষা। আমরা নিশ্চয়ই সবর করব। আমরা নিশ্চয়ই শোকর আদায় করব। আমরা জানি তিনি আমাদের ভালোবাসেন, আমরা তাঁকে স্মরণ করব।
মোদ্দাকথা,
সবার সুস্থতার জন্য দু'আ করুন। রিজিকের জন্য দু'আ করুন। মা-বাবা, পরিবার, আত্মীয়স্বজন, অফিসের কলিগ, সহপাঠী, বন্ধুবান্ধব, পাড়া প্রতিবেশি সবার জন্য দু'আ করুন। হ্যা, শত্রুর জন্যও দু'আ করুন। যে আপনার বিরুদ্ধাচরণ করে তার জন্যও দু'আ করুন। এই সময়টা দু'আ করার। প্রতিটি ফুল তাঁর সুভাসে জড়িয়ে রাখুক গোটা পৃথিবীকে। আপনার প্রতি ওয়াক্তের মুনাজাতে প্রতিটি নাম আসুক।
প্রতিটি প্রাণ বেঁচে থাকুক। কোনো এক বনী আদমের কষ্ট, আমাদের কষ্ট। তাঁর চিৎকার, আমাদের চিৎকার। ইয়াদ রাখনা একজন উম্মতে মুহাম্মদীর হাহাকার, আমাদেরও হাহাকার।

রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানি সাগিরা।
ওয়া আখিরু দাওয়ানা আনিল হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন। আস-সালামু আলাইকুম।

- সালমন সালমা / চট্টগ্রাম'২১

রমজানে মী-টাইম, উই-টাইম বের করা খুব টাফ ছিলো। রমজানের একটা ব্যস্ততা তো থাকেই তার সাথে সাথে সবার অফিসের কাজের চাপ। সবমিলিয়ে আমরা একসাথে থাকলে...